লটকনের ফলন বেশি,দাম কম


বার্তা বিভাগ প্রকাশের সময় : জুন ২৪, ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ /
লটকনের ফলন বেশি,দাম কম

মো: সোহেল রানা,স্টাফ রিপোর্টার:: পাহাড়ে উৎপাদিত টক-মিষ্টি লটকন পাহাড়ে ও সমতলে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে সমতলে। এবছর খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় প্রচুর পরিমানে লটকন ফলন হয়েছে।

কৃষি অফিস দেয়া তথ্যমতে দীঘিনালা উপজেলা প্রায় ৮২হেক্টর জমিতে লটকন বাগান করেছে স্থানীয় চাষীরা। দীঘিনালা উপজেলা সবচেয়ে বড় লটকন বাগান করেছেন দীপংকর প্রশাদ চাকমা, তার বাগানে প্রায় আড়াই শত লটকন গাছ রয়েছে। সবগুলো গাছে প্রচুর পরিমানে লটকন ধরেছে।

পাহাড়ের ঢালুতে স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় লটকন চাষের জন্য উপযোগী, লটকন চাষে খরচ একেবারেই কম, চারা লাগানোর ছয় পর বছর থেকে ফলন আসাতে শুরু করে। গাছ যত বড় হয় ফলন তত বাড়তে থাকে। পাহাড়ে অন্যান্য ফল চাষের পাশাপাশি লটকন চাষ একটি সম্ভবনায় ফসলে পরিনত হয়েছে।

তাই লটকন চাষে ঝুকছে অনেকে তরুণ উদ্যোক্তরা। তবে এবছর লটকনের ফলন ভালো হয়েছে। স্থানীয় বাজারে লটকনের তুলনামূলক গত দাম অনেক কম। প্রতি কেজি লটকন স্থানীয় বাজারে ৩০-৪০টাকা ধরে খুচরা বিক্রি হচ্ছে।

দীঘিনালা উপজেলায় সবচেয়ে বড় লটকন চাষি দীপংকর প্রশাদ চাকমা বলেন, আমার বাগানে ২০১২সালে সাড়ে তিনশত লটকনের চারা লাগিয়ে ছিলাম ৬বছর পর থেকে ফলন আসতে শুরু করে এবছর আড়াইশত গাছে প্রচুর পরিমানে ফলন আসছে কিন্তু বাজারে দাম কম থাকায় আড়াইশত গাছের লটকন ব্যবসায়ীর কাছে ২লক্ষ ১০হাজার টাকা বিক্রি করছি। তবে লটকন চাষে খরচ তুলনামূল কম গাছ যতবড় হয় ফলন তত বাড়ে।

দীঘিনালা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, দীঘিনালা উপজেলায় এবছর প্রচুর মিষ্টি লটকন উৎপাদন হয়েছে। লটকন গাছের বেশি পরিচর্চা করতে হয় না, বছরের একবার গাছের গোড়ায় সামান্য পরিমানে সার দিতে হয়। লটকন চাষ করেও প্রচুর অর্থ উপার্জন করা সম্ভব।