আপডেট :
১০:০৮:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
১২
বার
পুলিশের মানবিক উদ্যোগে মায়ের কেলে ফিরল শিশু
মো: সোহেল রানা,স্টাফ রিপোর্টার:: খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় পথ হারিয়ে আসা অসহায় অবস্থায় ঘুরে বেড়ানো এক শিশুকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে নিরাপদে ফিরিয়ে দিয়েছে দীঘিনালা থানা পুলিশ। গত বুধবার (৫ আগস্ট ২০২৬) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বোয়ালখালী ইউনিয়নের জিয়ানগর শিবির এলাকার একটি চায়ের দোকানের সামনে প্রায় ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে দীর্ঘ সময় ধরে একা বসে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। শিশুটি নিজের নাম-ঠিকানা স্পষ্টভাবে বলতে না পারায় স্থানীয় বাসিন্দা মো. সুজন তাকে দীঘিনালা থানায় নিয়ে যান। উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম মো. আরমান হোসেন (১০)। তার বাড়ি খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার গামারীডালা এলাকায়। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর শিশুটির মা মোসা. আমেনা আক্তার বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে দীঘিনালা থানায় এসে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে ছেলেকে নিজের সন্তান হিসেবে শনাক্ত করেন। শিশুটিও তাকে নিজের মা হিসেবে শনাক্ত করলে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মায়ের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়। দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, শিশুটি নিরাপদে রয়েছে—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় স্বস্তি। পরিচয় শনাক্তে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় অল্প সময়ের মধ্যেই তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের ঘটনায় মানবিক ও পেশাদার দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পুলিশ কাজ করে যাবে। স্থানীয়রা শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধার ও পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ায় দীঘিনালা থানার পুলিশের মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন।
১৩
মো: সোহেল রানা,স্টাফ রিপোর্টার::খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় পথ হারিয়ে আসা অসহায় অবস্থায় ঘুরে বেড়ানো এক শিশুকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে নিরাপদে ফিরিয়ে দিয়েছে দীঘিনালা থানা পুলিশ।
গত বুধবার (৫ আগস্ট ২০২৬) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বোয়ালখালী ইউনিয়নের জিয়ানগর শিবির এলাকার একটি চায়ের দোকানের সামনে প্রায় ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে দীর্ঘ সময় ধরে একা বসে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। শিশুটি নিজের নাম-ঠিকানা স্পষ্টভাবে বলতে না পারায় স্থানীয় বাসিন্দা মো. সুজন তাকে দীঘিনালা থানায় নিয়ে যান।
উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম মো. আরমান হোসেন (১০)। তার বাড়ি খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার গামারীডালা এলাকায়। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর শিশুটির মা মোসা. আমেনা আক্তার বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে দীঘিনালা থানায় এসে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে ছেলেকে নিজের সন্তান হিসেবে শনাক্ত করেন। শিশুটিও তাকে নিজের মা হিসেবে শনাক্ত করলে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মায়ের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।
দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, শিশুটি নিরাপদে রয়েছে—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় স্বস্তি। পরিচয় শনাক্তে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় অল্প সময়ের মধ্যেই তাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের ঘটনায় মানবিক ও পেশাদার দায়িত্বশীলতার সঙ্গে পুলিশ কাজ করে যাবে।
স্থানীয়রা শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধার ও পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ায় দীঘিনালা থানার পুলিশের মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন।