আপডেট :
০৩:৪৯:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৩
বার
গুইমারায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সেনাবাহিনী
স্টাফ রিপোর্টার:: গুইমারার রামসু বাজারে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্বজনহারা পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন গুইমারা রিজিয়নের অন্তর্গত সিন্দুকছড়ি জোন। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্যুবরণকারীদের পরিবারের স্থায়ী জীবিকার সংস্থান নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই সহায়তার অংশ হিসেবে নিহতদের পরিবারের সদস্য—টুনি মারমাকে শহীদ লেফটেন্যান্ট মুশফিক স্কুলের শিক্ষিকা এবং উক্যক্ষচিং মারমাকে গুইমারা সেনা হসপিটাল ও ক্ষতিগ্রস্থ বেকার যুবকদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর সুযোগ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। উক্ত কর্মসংস্থানের এই ব্যবস্থা তাদের পরিবারের চরম দুর্দিনে আলোর দিশা এবং আর্থিক স্বস্তি এনে দেবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। এই বিষয়ে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত সকল মানুষের পাশে থেকে উন্নয়নমূল কর্মকাণ্ড করে যাবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। নিহতদের স্বজনরা জানান, প্রিয়জনকে হারানোর মর্মান্তিক বেদনার মাঝেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মসংস্থানের সুযোগ তাদের ঘুরে দাঁড়াতে সাহস জোগাবে। এ ধরণের সামাজিক ও মানবিক পদক্ষেপে স্থানীয় বাসিন্দারা সেনাবাহিনীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
১৫
স্টাফ রিপোর্টার::গুইমারার রামসু বাজারে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্বজনহারা পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন গুইমারা রিজিয়নের অন্তর্গত সিন্দুকছড়ি জোন। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্যুবরণকারীদের পরিবারের স্থায়ী জীবিকার সংস্থান নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
এই সহায়তার অংশ হিসেবে নিহতদের পরিবারের সদস্য—টুনি মারমাকে শহীদ লেফটেন্যান্ট মুশফিক স্কুলের শিক্ষিকা এবং উক্যক্ষচিং মারমাকে গুইমারা সেনা হসপিটাল ও ক্ষতিগ্রস্থ বেকার যুবকদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর সুযোগ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। উক্ত কর্মসংস্থানের এই ব্যবস্থা তাদের পরিবারের চরম দুর্দিনে আলোর দিশা এবং আর্থিক স্বস্তি এনে দেবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
এই বিষয়ে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত সকল মানুষের পাশে থেকে উন্নয়নমূল কর্মকাণ্ড করে যাবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
নিহতদের স্বজনরা জানান, প্রিয়জনকে হারানোর মর্মান্তিক বেদনার মাঝেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মসংস্থানের সুযোগ তাদের ঘুরে দাঁড়াতে সাহস জোগাবে। এ ধরণের সামাজিক ও মানবিক পদক্ষেপে স্থানীয় বাসিন্দারা সেনাবাহিনীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।