আপডেট :
০৯:২৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪
বার
শিক্ষা দিবসে বিভিন্ন দাবিতে মানিকছড়িতে পিসিপির ছাত্র সমাবেশ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি:: মহান শিক্ষা দিবসে বিভিন্ন দাবীতে খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়িতে ছাত্র সমাবেশ করেছে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ(পিসিপি), খাগড়াছড়ি জেলা শাখা। আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬), বেলা ২:০০টায় মানিকছড়ি উপজেলার গিরিমৈত্রী সরকারি ডিগ্রি কলেজ গেইট প্রাঙ্গনে এই ছাত্র সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশ শুরুর আগে একটি মিছিল কলেজ গেইট থেকে শুরু হয়ে মানিকছড়ি উপজেলা পরিষদ এলাকা ঘুরে আসে। ছাত্র সমাবেশে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি তৃষ্ণাঙ্কর চাকমার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক প্রাঞ্জল চাকমার সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সোহেল চাকমা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের খাগড়াছড়ি জেলা সদস্য রিকেন চাকমা। স্বাগত বক্তব্য দেন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের মানিকছড়ি উপজেলা শাখা সভাপতি আনু মারমা। বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারা দেশের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে অগণতান্ত্রিক, বেসরকারীকরণ ও বাণিজ্যিকীকরণ করে রাখা হয়েছে। বর্তমানে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মুক্তচিন্তা করার মতো গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই। পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ি শিক্ষার্থীরা কোথাও নিরাপদ নয় উল্লেখ করে জাতিগত নিপীড়নের অংশ হিসেবে বহিরাগত শিক্ষকের দ্বারা পাহাড়ি শিক্ষার্থীরা ধর্ষণ, হেনস্তা ও বুলিংয়ের শিকার হচ্ছে। জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষার্থে শিক্ষার্থীদের মূল ভূমিকা পালন করতে হবে। বক্তারা আরও বলেন, ১৯৬২ সালের শরীফ শিক্ষা কমিশনের প্রস্তাবিত শিক্ষানীতিতে শিক্ষাকে অধিকার হিসেবে না দেখে বাণিজ্য হিসেবে দেখা হয়েছিল। তাই তৎকালীন ছাত্রসমাজ এই শিক্ষা কমিশনের শিক্ষানীতিকে প্রতিক্রিয়াশীল শিক্ষানীতি হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল। এই শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে। বক্তারা আরো বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চরম শিক্ষক সংকট রয়েছে। ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অদক্ষ শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে পাহাড়ি শিক্ষার্থীরা সঠিক পাঠদান ও সুশিক্ষা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। শুধু তাই নয়, পার্বত্য চট্টগ্রামে দমন-পীড়নের মাত্রা দিন বেড়ে চলেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের এমন এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে পাহাড়ি ছাত্রসমাজকে চুপ করে বসে থাকলে হবে না। অস্তিত্ব রক্ষার জন্য আন্দোলনে সামিল হতে হবে। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করাসহ পিসিপি’র শিক্ষা সংক্রান্ত ৫ দফা দাবি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানান। পিসিপি’র শিক্ষা সংক্রান্ত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, সকল জাতিসত্তার মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা লাভের অধিকার নিশ্চিত করা; স্কুল কলেজের পাঠ্যপুস্তকে জাতিসত্তার প্রতি অবমাননাকর বক্তব্য বাদ দেওয়া; পাহাড়ি জাতিসত্তার বীরত্বব্যঞ্জক কাহিনী ও সঠিক সংগ্রামী ইতিহাস স্কুল কলেজের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা; বাংলাদেশের সকল জাতিসত্তার সংক্ষিপ্ত সঠিক তথ্য সম্বলিত পরিচিতিমূলক রচনা বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা এবং পার্বত্য কোটা বাতিল করে পাহাড়িদের জন্য বিশেষ কোটা চালু করা। পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা শাখার তথ্য ও প্রচার সম্পাদক জেকিন চাকমা এক প্রেস বার্তায় এ তথ্য জানান।
৫
প্রেস বিজ্ঞপ্তি::মহান শিক্ষা দিবসে বিভিন্ন দাবীতে খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়িতে ছাত্র সমাবেশ করেছে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ(পিসিপি), খাগড়াছড়ি জেলা শাখা। আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬), বেলা ২:০০টায় মানিকছড়ি উপজেলার গিরিমৈত্রী সরকারি ডিগ্রি কলেজ গেইট প্রাঙ্গনে এই ছাত্র সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশ শুরুর আগে একটি মিছিল কলেজ গেইট থেকে শুরু হয়ে মানিকছড়ি উপজেলা পরিষদ এলাকা ঘুরে আসে।
ছাত্র সমাবেশে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি তৃষ্ণাঙ্কর চাকমার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক প্রাঞ্জল চাকমার সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সোহেল চাকমা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের খাগড়াছড়ি জেলা সদস্য রিকেন চাকমা। স্বাগত বক্তব্য দেন পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের মানিকছড়ি উপজেলা শাখা সভাপতি আনু মারমা।
বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারা দেশের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে অগণতান্ত্রিক, বেসরকারীকরণ ও বাণিজ্যিকীকরণ করে রাখা হয়েছে। বর্তমানে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মুক্তচিন্তা করার মতো গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই। পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ি শিক্ষার্থীরা কোথাও নিরাপদ নয় উল্লেখ করে জাতিগত নিপীড়নের অংশ হিসেবে বহিরাগত শিক্ষকের দ্বারা পাহাড়ি শিক্ষার্থীরা ধর্ষণ, হেনস্তা ও বুলিংয়ের শিকার হচ্ছে। জাতীয় অস্তিত্ব রক্ষার্থে শিক্ষার্থীদের মূল ভূমিকা পালন করতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, ১৯৬২ সালের শরীফ শিক্ষা কমিশনের প্রস্তাবিত শিক্ষানীতিতে শিক্ষাকে অধিকার হিসেবে না দেখে বাণিজ্য হিসেবে দেখা হয়েছিল। তাই তৎকালীন ছাত্রসমাজ এই শিক্ষা কমিশনের শিক্ষানীতিকে প্রতিক্রিয়াশীল শিক্ষানীতি হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল। এই শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে।
বক্তারা আরো বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চরম শিক্ষক সংকট রয়েছে। ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে অদক্ষ শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে পাহাড়ি শিক্ষার্থীরা সঠিক পাঠদান ও সুশিক্ষা পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। শুধু তাই নয়, পার্বত্য চট্টগ্রামে দমন-পীড়নের মাত্রা দিন বেড়ে চলেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের এমন এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে পাহাড়ি ছাত্রসমাজকে চুপ করে বসে থাকলে হবে না। অস্তিত্ব রক্ষার জন্য আন্দোলনে সামিল হতে হবে। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করাসহ পিসিপি’র শিক্ষা সংক্রান্ত ৫ দফা দাবি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানান।
পিসিপি’র শিক্ষা সংক্রান্ত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, সকল জাতিসত্তার মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা লাভের অধিকার নিশ্চিত করা; স্কুল কলেজের পাঠ্যপুস্তকে জাতিসত্তার প্রতি অবমাননাকর বক্তব্য বাদ দেওয়া; পাহাড়ি জাতিসত্তার বীরত্বব্যঞ্জক কাহিনী ও সঠিক সংগ্রামী ইতিহাস স্কুল কলেজের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা; বাংলাদেশের সকল জাতিসত্তার সংক্ষিপ্ত সঠিক তথ্য সম্বলিত পরিচিতিমূলক রচনা বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা এবং পার্বত্য কোটা বাতিল করে পাহাড়িদের জন্য বিশেষ কোটা চালু করা। পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা শাখার তথ্য ও প্রচার সম্পাদক জেকিন চাকমা এক প্রেস বার্তায় এ তথ্য জানান।