চট্টগ্রাম বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পার্বত্য অঞ্চলের কৃষ্টি,সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিকাশে পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা কামনা

  • প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৫:২৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪৪ বার
৪৮

স্টাফ রিপোর্টার:: পার্বত্য অঞ্চলের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিকাশে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা কামনা করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু । সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. রেজুয়ান খানের এক প্রেরিত বার্তায় এ তথ্য জানান।

আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর অফিস কক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু, এমপি-র এক সৌহার্দ্যপূর্ণ ও হৃদ্যতাপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী বোমাং সার্কেলের রাজপুত্র তথা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু আজ দুপুরে তাঁর পিএস (উপসচিব) মোহাম্মদ রাশেদুল হককে সাথে নিয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রীর দপ্তরে আগমন করেন।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বরেণ্য অতিথি ও বোমাং সার্কেলের রাজপুত্র সাচিং প্রু-কে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও স্বাগতম জানান। উভয় মন্ত্রীর স্বতঃস্ফূর্ত ও মননশীল কথোপকথনে কৃষ্টি, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির মেলবন্ধনের এক অনন্য চিত্র ফুটে ওঠে, যা উপস্থিত সকলকে গভীরভাবে আলোড়িত করে।

সাক্ষাৎকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় পরিবেশ, প্রকৃতি, সমৃদ্ধ ইতিহাস, আবহমান ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও ব্যাপকভাবে প্রসারিত ও বেগবান করতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের বহুভাষাভাষী ও মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ বান্দরবান জেলায় বসবাসরত বাঙালি ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ১২টি জাতিসত্ত্বার মানুষের স্বকীয় আচার-আচরণ, বর্ণিল পোশাক-পরিচ্ছদ, নিজস্ব রীতিনীতি এবং লোকসংস্কৃতিকে এক সুতোয় গেঁথে বাঙালি ও পাহাড়িদের মাঝে ভেদাভেদহীন এক অটুট সাম্য ও মৈত্রীর সমাজ বিনির্মাণ করতে হবে।

মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও উল্লেখ করেন, পাহাড়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক জাগরণের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করার সময় এখনই। সংস্কৃতি চর্চার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে পাহাড়ি ও বাঙালির আত্মিক দূরত্ব মুছে ফেলে সম্প্রীতির অনন্য উপাখ্যান রচনা করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

সৌজন্য সাক্ষাতের এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, এমপি উপস্থিত থেকে সংস্কৃতির মেলবন্ধনকে সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রম আরও জোরদার করার বিষয়ে নিজ অবস্থান থেকে আলোকপাত করেন। মন্ত্রী সাচিং প্রু সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে আগামী ২৫ অক্টোবর বান্দরবানে আয়োজিত প্রবারণা পূর্ণিমা ও পিঠা উৎসবে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান।

Download Photocard

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Al- Mamun

সরকার শহিদ সেনাসদস্যদের পরিবারের পাশে আছে

পার্বত্য অঞ্চলের কৃষ্টি,সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিকাশে পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা কামনা

আপডেট : ০৫:২৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪৮

স্টাফ রিপোর্টার:: পার্বত্য অঞ্চলের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিকাশে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা কামনা করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু । সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. রেজুয়ান খানের এক প্রেরিত বার্তায় এ তথ্য জানান।

আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর অফিস কক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু, এমপি-র এক সৌহার্দ্যপূর্ণ ও হৃদ্যতাপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী বোমাং সার্কেলের রাজপুত্র তথা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু আজ দুপুরে তাঁর পিএস (উপসচিব) মোহাম্মদ রাশেদুল হককে সাথে নিয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রীর দপ্তরে আগমন করেন।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বরেণ্য অতিথি ও বোমাং সার্কেলের রাজপুত্র সাচিং প্রু-কে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও স্বাগতম জানান। উভয় মন্ত্রীর স্বতঃস্ফূর্ত ও মননশীল কথোপকথনে কৃষ্টি, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির মেলবন্ধনের এক অনন্য চিত্র ফুটে ওঠে, যা উপস্থিত সকলকে গভীরভাবে আলোড়িত করে।

সাক্ষাৎকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় পরিবেশ, প্রকৃতি, সমৃদ্ধ ইতিহাস, আবহমান ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও ব্যাপকভাবে প্রসারিত ও বেগবান করতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় মন্ত্রী সাচিং প্রু বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের বহুভাষাভাষী ও মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ বান্দরবান জেলায় বসবাসরত বাঙালি ও পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ১২টি জাতিসত্ত্বার মানুষের স্বকীয় আচার-আচরণ, বর্ণিল পোশাক-পরিচ্ছদ, নিজস্ব রীতিনীতি এবং লোকসংস্কৃতিকে এক সুতোয় গেঁথে বাঙালি ও পাহাড়িদের মাঝে ভেদাভেদহীন এক অটুট সাম্য ও মৈত্রীর সমাজ বিনির্মাণ করতে হবে।

মন্ত্রী সাচিং প্রু আরও উল্লেখ করেন, পাহাড়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক জাগরণের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করার সময় এখনই। সংস্কৃতি চর্চার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে পাহাড়ি ও বাঙালির আত্মিক দূরত্ব মুছে ফেলে সম্প্রীতির অনন্য উপাখ্যান রচনা করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

সৌজন্য সাক্ষাতের এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, এমপি উপস্থিত থেকে সংস্কৃতির মেলবন্ধনকে সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রম আরও জোরদার করার বিষয়ে নিজ অবস্থান থেকে আলোকপাত করেন। মন্ত্রী সাচিং প্রু সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে আগামী ২৫ অক্টোবর বান্দরবানে আয়োজিত প্রবারণা পূর্ণিমা ও পিঠা উৎসবে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান।

Download Photocard