চট্টগ্রাম রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬

ভিয়েতনামী লংগান চাষে সফল প্রিয়দর্শী চাকমা

  • প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৩:৫৪:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯ বার
১১

মো: সোহেল রানা,স্টাফ রিপোর্টার:: পাহাড়ের ভিয়েতনামী লংগান(লিচু) চাষ করে সফল খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় কৃষি উদ্দোক্তা প্রিয়র্দশী চাকমা। বন্ধুর মাধ্যমে দিনাজপুর থেকে লংগান চারা এনে ৫বছর আগে পরীক্ষামূলক ভাবে লংগান চারা রোপন করে। এবছর প্রচুর ফলন ধরছে ৫০০/৬০০টাকা ধরে কেজি বিক্রি করছে। সমতলে লংগান ফলে দাম ১হাজার থেকে ১২শত টাকা ধরে বিক্রি হয়।

পাহাড়ের হতে পারে ভিয়েতনামী লংগান পাহাড়ের চাষ হতে সম্বমনায় অর্থকারী ফসল। লংগান বিদেশি জাতের ফল হলে দেখতে বাংলাদেশের লিচুমত স্বাদ। লংগান ফলে রসালো মাংসে পরিমাণ বেশি বীজ একেবারে ছোট নাই বললেই চলে। তবে লংগান বছরে দুইবার ফলন দেয়।

তরুণ কৃষি উদ্দোক্তা প্রিয়দর্শী চাকমা ভিয়েতনামী লংগান চাষ সম্পর্কে বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও ইউটিউব ভিডিও দেখে লংগান চাষ করতে আগ্রহ সৃষ্টি হয়। পাহাড়ে লংগান হবে কি ভেবে দিনাজপুরে আমার বন্ধু মাধ্যমে যোগাযোগ করে প্রতিপিচ লংগান চারা ১২শত টাকা করে ৫/৬টি চারা নিয়ে এসে পাহাড়ে মাটিতে পরীক্ষামূলক রোপন করছিলাম ৫বছর আগে, লংগান লাগানোর পরে তেমন কোন যত্ন নিতে হয় নাই।

এবছর লংগান গাছে প্রচুর ফলন হয়েছে। গাছে সার কীটনাশক কিছুই দেই নাই। প্রতি কেজি ৫০০/৬০০শত টাকা দরে পাইকারি বিক্রি করছি। পাহাড়ের মাটি লংগান ফল চাষের জন্য উপযোগী মনে হচ্ছে। বানিজ্যিক ভাবে লংগান ফল চাষ করলে লাভবান হওয়ার সম্ভব।

দীঘিনালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো শাহাদাত হোসেন ভিয়েতনামী লংগান(লিচু) চাষ সম্পর্কে বলেন, লংগান ভিয়েতনামী বিদেশি লিচু জাতীয় ফল। উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন সি ও এন্টিঅক্সাইড থাকার কারনে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। স্থানীয় বাজারে এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে। এবং বাজারের এর উচ্চ মূল্যও রয়েছে। তরুণ কৃষি উদ্দোক্তারা ভিয়েতনামী লংগান চাষ করলে কৃষি অফিস থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হবে।

Download Photocard

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ভিয়েতনামী লংগান চাষে সফল প্রিয়দর্শী চাকমা

আপডেট : ০৩:৫৪:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
১১

মো: সোহেল রানা,স্টাফ রিপোর্টার:: পাহাড়ের ভিয়েতনামী লংগান(লিচু) চাষ করে সফল খাগড়াছড়ি দীঘিনালা উপজেলায় কৃষি উদ্দোক্তা প্রিয়র্দশী চাকমা। বন্ধুর মাধ্যমে দিনাজপুর থেকে লংগান চারা এনে ৫বছর আগে পরীক্ষামূলক ভাবে লংগান চারা রোপন করে। এবছর প্রচুর ফলন ধরছে ৫০০/৬০০টাকা ধরে কেজি বিক্রি করছে। সমতলে লংগান ফলে দাম ১হাজার থেকে ১২শত টাকা ধরে বিক্রি হয়।

পাহাড়ের হতে পারে ভিয়েতনামী লংগান পাহাড়ের চাষ হতে সম্বমনায় অর্থকারী ফসল। লংগান বিদেশি জাতের ফল হলে দেখতে বাংলাদেশের লিচুমত স্বাদ। লংগান ফলে রসালো মাংসে পরিমাণ বেশি বীজ একেবারে ছোট নাই বললেই চলে। তবে লংগান বছরে দুইবার ফলন দেয়।

তরুণ কৃষি উদ্দোক্তা প্রিয়দর্শী চাকমা ভিয়েতনামী লংগান চাষ সম্পর্কে বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও ইউটিউব ভিডিও দেখে লংগান চাষ করতে আগ্রহ সৃষ্টি হয়। পাহাড়ে লংগান হবে কি ভেবে দিনাজপুরে আমার বন্ধু মাধ্যমে যোগাযোগ করে প্রতিপিচ লংগান চারা ১২শত টাকা করে ৫/৬টি চারা নিয়ে এসে পাহাড়ে মাটিতে পরীক্ষামূলক রোপন করছিলাম ৫বছর আগে, লংগান লাগানোর পরে তেমন কোন যত্ন নিতে হয় নাই।

এবছর লংগান গাছে প্রচুর ফলন হয়েছে। গাছে সার কীটনাশক কিছুই দেই নাই। প্রতি কেজি ৫০০/৬০০শত টাকা দরে পাইকারি বিক্রি করছি। পাহাড়ের মাটি লংগান ফল চাষের জন্য উপযোগী মনে হচ্ছে। বানিজ্যিক ভাবে লংগান ফল চাষ করলে লাভবান হওয়ার সম্ভব।

দীঘিনালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো শাহাদাত হোসেন ভিয়েতনামী লংগান(লিচু) চাষ সম্পর্কে বলেন, লংগান ভিয়েতনামী বিদেশি লিচু জাতীয় ফল। উচ্চ পরিমাণে ভিটামিন সি ও এন্টিঅক্সাইড থাকার কারনে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। স্থানীয় বাজারে এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে। এবং বাজারের এর উচ্চ মূল্যও রয়েছে। তরুণ কৃষি উদ্দোক্তারা ভিয়েতনামী লংগান চাষ করলে কৃষি অফিস থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হবে।

Download Photocard