
মো: সোহেল রানা,স্টাফ রিপোর্টার:: মহান আল্লাহতালাকে খুশি করা জন্য হালাল নিখুদ পরিপূষ্ট পশু আল্লাহ‘র নামে কুরবানি করতে হয়ে। কুরবানি দেয়ার সমর্থকারী ব্যাক্তিরা বিভিন্ন হাটে ঘুরে ঘুরে সুন্দর পরিপূষ্ট নিখুদ পশু ক্রয় করছে।
খাগড়াছড়ি দীঘিনালা সবচেয়ে বড় পশুর হাট বোয়ালখালী নতুন বাজার কুরবানী উপলক্ষে বিশাল বড় কুরবানির পশুর বিক্রয়ের হাট বসে। ক্রেতা-বিক্রেতার মুখরিত হয়ে ওঠে কুরবানির পশুর হাট। এছাড়া উপজেলার আরো দুইটি পশুর হাট বসে দীঘিনালা থানা বাজার ও ছোট মেরুং বাজার। ক্রেতাদের চাহিদা মত ছোট-বড়-মাঝারি প্রচুর পশু বাজারের সয়লাব হয়ে আছে।
স্থানীয় গরু বিক্রতা মো: ওহাব আলী বলেন, আমি নিজের বাড়িতে দুইটি গরু এক বছর ধরে লালন পালন করে বড় করি। কুরবানি ঈদে বেঁচার জন্য পশু হাটে নিয়ে এসেছি একটি দাম ৮৫হাজার টাকা আর একটি ১লক্ষ ১০হাজার টাকা চাচ্ছি। বাজারের ক্রেতা কম? বিক্রেতা বেশি?

গরু ব্যবসায়ী মো: আবুল কালাম (কালা) বলেন, স্থানীয় বাজারের ক্রেতাদের কাছে মাঝারি গরু চাহিদা বেশি। মাঝারি গরুর দাম ৬৫-৭৫-৮০হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে। আর বড় গরুগুলো শহরের নিয়ে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। বড় গরুর শহরের চাহিদা বেশি।
স্থানীয় গরু হাটে দীঘিনালা প্রাণিসম্পদ দপ্তর থেকে নিয়মিত পশু স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কাজ করছে। এছাড়ও পশুর হাটে জাল টাকা সনাক্ত করা জন্য দীঘিনালা কৃষি ব্যাংক প্রতিনিধি নিবিড় চাকমা ভ্রাম্যমান ক্যাম্প বসিয়ে জাল টাকা সনাক্ত করা কাজ করছে।
পশু হাটে হাসিল আদায়কারী মো: শামসু রানা বলেন, হাটে নিরাপত্তার জন্য আইন শৃংখলা বাহির পাশাপাশি আমদের লোকজনও কাজ করছে। যাতে করে অবৈধভাবে কোর অপ্রীতিকর কোন ঘটনা ঘটাতে না পারে।
মো: সোহেল রানা
আপনার মতামত লিখুন :