স্টাফ রিপোর্টার:: বদর যুদ্ধ (১৭ রমজান, ২ হিজরি/১৩ মার্চ ৬২৪ খ্রিস্টাব্দ) ইসলামের ইতিহাসের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সশস্ত্র সংঘাত, যা সত্য ও মিথ্যার পার্থক্যকারী (ইয়াওমুল ফুরকান) হিসেবে পরিচিত মদীনার মুসলমানদের সাথে মক্কার কুরাইশদের মধ্যে এই যুদ্ধ হয়।
প্রতি বছর সারাদেশে মুসলমান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় সামাজিক বিভিন্ন সংগঠন গুলো ১৭রমজান বদর দিবস পালন করে থাকে। খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় আ’লা হযরত যুব সংগঠন দিঘীনালা এর উদ্দ্যোগে ১৭রমজান বদর দিবস পালন উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল করা হয়েছ।
গতশনিবার (৭ মার্চ ২০২৬) ১৭ সতেরো রমজান খাগড়াছড়ি দীঘওমালা উপজেলায় আ’লা হযরত যুব সংগঠন দিঘীনালা আয়োজনে কবাখালী জালালাবাদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রঙ্গনে মুসলমানদের প্রথম যুদ্ধ বদর যুদ্ধে শহীদদের আত্মা মাগফেরাত কামনা ইফতার ও দোয়া মাহফিল করা হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন আ’লা হযরত যুব সংগঠন দিঘীনালা এর সভাপতি মো সোহানুর রহমান সাব্বির। এতে উপস্থিত ছিলেন কবাখালী ইউনিয়ন হিল ভিডিপি প্লাটুন কমান্ডার মো আমির হোসেন দুলাল,
গাউছিয়া কমিটি দিঘীনালা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো সুমন চৌধুরী আনু, কবাখালী আল আমিন বারিয়া ইবতেদায়ী মাদ্রাসার সভাপতি মো আলমগীর হোসনে প্রমূখ। এছাড়াও এলাকার ৪শতাধিক মুসল্লীরা বদর দিবসের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অংশ নেয়। কবাখালী জালালাবাদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাও আবদুচ ছবুর আল কাদেরী সংক্ষিপ্ত ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, বদর যুদ্ধে মুসলমানদের পক্ষে নেতৃত্ব দেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) এবং কুরাইশ পক্ষে আবু জাহল নেতৃত্ব দেয়। মুসলিম বাহিনী জয়ী হয়।
কুরাইশদের ৭০ জন নিহত এবং ৭০ জন বন্দী হয়, অন্যদিকে মুসলিম পক্ষে ১৪ জন শহীদ হন। বদর যুদ্ধ গুরুত্ব মদীনায় মুসলমানদের অবস্থান শক্তিশালী করে এবং আরবে ইসলামের বিজয় যাত্রার সূচনা করে এই ঐতিহাসিক যুদ্ধে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য মুসলমানদের অসামান্য আত্মত্যাগ ও সাহসিকতা ফুটে ওঠে। আলোচনা শেষে দোয়া মুনাজাত পরিচালনা করেন।



অনলাইনের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন