আপডেট :
০৭:১০:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
১৩
বার
‘পার্বত্য চট্টগ্রামে’ ঔপনিবেশিক শাসন কায়েম দিবসে ইউপিডিএফ-এর আহ্বান
জাতিসত্তার সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিন ও পার্বত্য চট্টগ্রামের ‘বিশেষ মর্যাদা’ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করুন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি:: ১৮৬০ সালের ১ আগস্ট ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী এক স্বৈরাচারি অধ্যাদেশ বলে স্বাধীন ‘পার্বত্য রাজ্যকে’ জেলায় রূপান্তরের মাধ্যমে ঔপনিবেশিক শাসন কায়েম করে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসান এবং উপমহাদেশে নানা রাজনৈতিক পালা বদল হলেও আজ অবধি পার্বত্য চট্টগ্রামে ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণ ও নিপীড়ন জারি রয়েছে। উক্ত ঐতিহাসিক ঘটনার সুদূরপ্রসারী প্রভাব স্মরণ করে পার্বত্য চট্টগ্রামে পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলনরত রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)-এর সভাপতি প্রসিত খীসা উপরোক্ত মন্তব্য করে শুক্রবার (৩১ জুলাই ২০২৬) সংবাদ মাধ্যমে প্রচারের উদ্দেশ্যে এক বিবৃতি দিয়েছেন। প্রদত্ত বিবৃতিতে ইউপিডিএফ নেতা পার্বত্য অঞ্চলের অধিবাসীদের নিজস্ব শাসন ব্যবস্থায় ব্রিটিশদের অন্যায় হস্তক্ষেপের সমালোচনা করেন এবং পাহাড়িদের স্বাভাবিক বিকাশ ও অগ্রগতি রুদ্ধ করে দেওয়া, পরবর্তীতে জাতীয় পরিচিতির সংকট এবং অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখীন হওয়ার জন্যও ব্রিটিশদের ঔপনিবেশিক শাসকগোষ্ঠীকে দায়ী করেন। বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রামে যে শাসন বলবৎ রয়েছে তা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনেরই ধারাবাহিক রূপ বলে মন্তব্য করে ইউপিডিএফ নেতা বলেন, ‘১৯৮০ দশকে সমতল জেলা থেকে চার লক্ষ অপাহাড়িকে স্থানান্তরিত করে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেটলার উপনিবেশ স্থাপন করা হয়েছে, যার ফলে এই অঞ্চলে যুগ যুগ ধরে বসবাসরত পাহাড়ি জাতিগুলো নিজ মাতৃভূমিতে ক্রমে সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়েছে।’ প্রসিত খীসা বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশদের “ভাগ করে শাসন করার” ঔপনিবেশিক নীতি ধার করে পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রয়োগের কড়া সমালোচনা করেন এবং বলেন, ‘সরকার পাহাড়ি জনগণের একটি ক্ষুদ্র অংশকে আলঙ্কারিক ক্ষমতা ও সুবিধা দিয়ে বশীভূত করে অতঃপর তাদেরকে ব্যবহার করে আন্দোলন স্তব্ধ করতে ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত সৃষ্টি করেছে। এর ফলে পাহাড়ি জাতিগুলোর অস্তিত্বের সংকট আজ তীব্রতর হয়েছে।’ তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে নব্য-উপনিবেশিক শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য জনগণের ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রাম করা ছাড়া কোন বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন। বিবৃতিতে ইউপিডিএফ নেতা পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার স্বার্থে অনতিবিলম্বে সকল জাতিসত্তার সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও পার্বত্য অঞ্চলের ‘বিশেষ মর্যাদা’ পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামকে ‘জেলায় উন্নীতকরণ’ কথাটি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকদের উদ্ভাবিত এবং তা সুস্পষ্ট ইতিহাস বিকৃতি বলে ইউপিডিএফ নেতা মন্তব্য করেন এবং এই একপাক্ষিক ও ঔপনিবেশিক ভাষ্যকে ফেরী না করতে বাংলাদেশ সরকারসহ সকলের প্রতি অনুরোধ জানান। ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এর প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগের নিরন চাকমা এক প্রেস বার্তায় এ তথ্য জানান।
১৪
জাতিসত্তার সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিন ও পার্বত্য চট্টগ্রামের ‘বিশেষ মর্যাদা’ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করুন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি::১৮৬০ সালের ১ আগস্ট ব্রিটিশ শাসকগোষ্ঠী এক স্বৈরাচারি অধ্যাদেশ বলে স্বাধীন ‘পার্বত্য রাজ্যকে’ জেলায় রূপান্তরের মাধ্যমে ঔপনিবেশিক শাসন কায়েম করে। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসান এবং উপমহাদেশে নানা রাজনৈতিক পালা বদল হলেও আজ অবধি পার্বত্য চট্টগ্রামে ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণ ও নিপীড়ন জারি রয়েছে।
উক্ত ঐতিহাসিক ঘটনার সুদূরপ্রসারী প্রভাব স্মরণ করে পার্বত্য চট্টগ্রামে পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের দাবিতে আন্দোলনরত রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)-এর সভাপতি প্রসিত খীসা উপরোক্ত মন্তব্য করে শুক্রবার (৩১ জুলাই ২০২৬) সংবাদ মাধ্যমে প্রচারের উদ্দেশ্যে এক বিবৃতি দিয়েছেন।
প্রদত্ত বিবৃতিতে ইউপিডিএফ নেতা পার্বত্য অঞ্চলের অধিবাসীদের নিজস্ব শাসন ব্যবস্থায় ব্রিটিশদের অন্যায় হস্তক্ষেপের সমালোচনা করেন এবং পাহাড়িদের স্বাভাবিক বিকাশ ও অগ্রগতি রুদ্ধ করে দেওয়া, পরবর্তীতে জাতীয় পরিচিতির সংকট এবং অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখীন হওয়ার জন্যও ব্রিটিশদের ঔপনিবেশিক শাসকগোষ্ঠীকে দায়ী করেন।
বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রামে যে শাসন বলবৎ রয়েছে তা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনেরই ধারাবাহিক রূপ বলে মন্তব্য করে ইউপিডিএফ নেতা বলেন, ‘১৯৮০ দশকে সমতল জেলা থেকে চার লক্ষ অপাহাড়িকে স্থানান্তরিত করে পার্বত্য চট্টগ্রামে সেটলার উপনিবেশ স্থাপন করা হয়েছে, যার ফলে এই অঞ্চলে যুগ যুগ ধরে বসবাসরত পাহাড়ি জাতিগুলো নিজ মাতৃভূমিতে ক্রমে সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়েছে।’
প্রসিত খীসা বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশদের “ভাগ করে শাসন করার” ঔপনিবেশিক নীতি ধার করে পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রয়োগের কড়া সমালোচনা করেন এবং বলেন, ‘সরকার পাহাড়ি জনগণের একটি ক্ষুদ্র অংশকে আলঙ্কারিক ক্ষমতা ও সুবিধা দিয়ে বশীভূত করে অতঃপর তাদেরকে ব্যবহার করে আন্দোলন স্তব্ধ করতে ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত সৃষ্টি করেছে। এর ফলে পাহাড়ি জাতিগুলোর অস্তিত্বের সংকট আজ তীব্রতর হয়েছে।’
তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে নব্য-উপনিবেশিক শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য জনগণের ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রাম করা ছাড়া কোন বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন। বিবৃতিতে ইউপিডিএফ নেতা পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার স্বার্থে অনতিবিলম্বে সকল জাতিসত্তার সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও পার্বত্য অঞ্চলের ‘বিশেষ মর্যাদা’ পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামকে ‘জেলায় উন্নীতকরণ’ কথাটি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকদের উদ্ভাবিত এবং তা সুস্পষ্ট ইতিহাস বিকৃতি বলে ইউপিডিএফ নেতা মন্তব্য করেন এবং এই একপাক্ষিক ও ঔপনিবেশিক ভাষ্যকে ফেরী না করতে বাংলাদেশ সরকারসহ সকলের প্রতি অনুরোধ জানান। ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এর প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগের নিরন চাকমা এক প্রেস বার্তায় এ তথ্য জানান।