স্টাফ রিপোর্টার:: রাঙামাটিতে পাহাড়ি ঢলে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে আটকা পড়েছেন প্রায় চার শতাধিক পর্যটক। টানা চার দিনের ভারী বর্ষণে পাহাড় ধস ও বন্যার শঙ্কা তীব্র হয়েছে।
প্লাবিত হয়েছে বাঘাইছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল। পাহাড়ি ঢলের পানিতে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় দীঘিনালা ও সাজেকের মধ্যে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে সাজেক পর্যটন কেন্দ্রটি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে রাঙামাটি জেলায় অনুষ্ঠিতব্য উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে মাঠে নেমেছে প্রশাসনের একাধিক দল। উদ্ধারকাজে সহায়তা করছে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং রেড ক্রিসেন্টের কর্মীরা।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলায় মোট ৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সচেতনতা বাড়াতে মাইকিং কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতাও ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা নতুন করে শঙ্কা তৈরি করছে।
রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী জানিয়েছেন, দুর্গত এলাকার মানুষের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণ বরাদ্দ রয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও ত্রাণ সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসছেন।
প্রতিবেদক 















