বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঋণের কিস্তি আদায় ৩ মাস স্থগিত
স্টাফ রিপোর্টার:: সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের কিস্তি আদায় ৩ মাস স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই ২০২৬) বিকেলে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ হল রুমে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রেস ব্রিফিং করে পরিষদ চেয়ারম্যান এসব কথা জানান। এতে উপস্থিত ছিলেন,খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) মো: ইলিয়াস মেহেদী, খাগড়াছড়ি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিটেট মো: জাবের আহম্মেদ প্রমুখ। এতে লিখিত বক্তব্যে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেফালীকা ত্রিপুরা আরো জানান, সাম্প্রতিক অতি ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাসহ চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও দুর্গম অঞ্চলের বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকের বসতঘর, কৃষিজমি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জীবিকার উৎস ক্ষতির মুখে পড়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণকারী অনেক পরিবারও চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। এতে তিনি আরো জানান, এই দুর্যোগ মোকাবিলায় খাগড়াছড়ি আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়ার সার্বিক পরামর্শক্রমে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ,জেলা প্রশাসন,সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর,জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ,স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, গণমাধ্যমকর্মী এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ সমন্বিতভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ, উদ্ধার কার্যক্রম ও মানবিক সহায়তা অব্যাহত রেখেছেন। এই সম্মিলিত উদ্যোগ দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই প্রেক্ষাপটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘব এবং তাদের পুনরুদ্ধারে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি দেশের সকল ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনার আলোকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের আগামী ৩ (তিন) মাসের কিস্তি আদায় স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সুযোগ করে দেওয়াই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। এছাড়া ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে জরুরি খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ ও অন্যান্য ত্রাণসামগ্রী বিতরণ, পুনর্বাসন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং প্রয়োজনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য দুর্যোগকালীন ঋণ প্রদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর এই মানবিক সহায়তা খাগড়াছড়ি জেলার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে এবং তাদের জীবিকা পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
১৩
স্টাফ রিপোর্টার::সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের কিস্তি আদায় ৩ মাস স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই ২০২৬) বিকেলে খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ হল রুমে আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রেস ব্রিফিং করে পরিষদ চেয়ারম্যান এসব কথা জানান।
এতে উপস্থিত ছিলেন,খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) মো: ইলিয়াস মেহেদী, খাগড়াছড়ি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিটেট মো: জাবের আহম্মেদ প্রমুখ।
এতে লিখিত বক্তব্যে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেফালীকা ত্রিপুরা আরো জানান, সাম্প্রতিক অতি ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাসহ চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে।
বিশেষ করে খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও দুর্গম অঞ্চলের বহু পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকের বসতঘর, কৃষিজমি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জীবিকার উৎস ক্ষতির মুখে পড়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণকারী অনেক পরিবারও চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
এতে তিনি আরো জানান, এই দুর্যোগ মোকাবিলায় খাগড়াছড়ি আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়ার সার্বিক পরামর্শক্রমে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ,জেলা প্রশাসন,সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর,জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ,স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, গণমাধ্যমকর্মী এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ সমন্বিতভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ, উদ্ধার কার্যক্রম ও মানবিক সহায়তা অব্যাহত রেখেছেন।
এই সম্মিলিত উদ্যোগ দুর্যোগকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই প্রেক্ষাপটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘব এবং তাদের পুনরুদ্ধারে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি দেশের সকল ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে।
নির্দেশনার আলোকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের আগামী ৩ (তিন) মাসের কিস্তি আদায় স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সুযোগ করে দেওয়াই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
এছাড়া ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে জরুরি খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ ও অন্যান্য ত্রাণসামগ্রী বিতরণ, পুনর্বাসন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং প্রয়োজনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য দুর্যোগকালীন ঋণ প্রদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর এই মানবিক সহায়তা খাগড়াছড়ি জেলার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে এবং তাদের জীবিকা পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।