স্টাফ রিপোর্টার:: টানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট পাহাড়ধস ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকটি বসতঘর ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে পাহাড়ধসের আশঙ্কায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, খাগড়াছড়ি জেলায় প্রায় তিন হাজার পরিবার পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকায় বসবাস করছে। এসব পরিবারের সদস্যসংখ্যা প্রায় ৩৫ থেকে ৩৬ হাজার। শুক্রবার (১০ জুলাই ২০২৬) সকালে সদর উপজেলার মধ্যশালবন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, গত তিন দিনে কয়েকটি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। কোথাও পাহাড়ের মাটি বসতঘরের ওপর এসে পড়েছে, কোথাও সড়কে ধস নেমেছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রশাসনের তালিকাভুক্ত অতি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মধ্যে রয়েছে সদর উপজেলার শালবন, মধ্যশালবন, সবুজবাগ, কুমিল্লাটিলা, ন্যান্সীবাজার ও মোল্লাপাড়া। টানা বৃষ্টি শুরু হলেই এসব এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মধ্যশালবনের বাসিন্দা মো. নুর আলম বলেন, তার ঘরের পেছনে রান্নাঘরের ওপর পাহাড়ধস হয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে পরিবার নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটছে। পাহাড়ধসের আশঙ্কায় সদর উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করছে জেলা তথ্য অফিস, ফায়ার সার্ভিস ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, পাহাড় কেটে বসতি নির্মাণ, পাহাড়ের ঢালে অপরিকল্পিতভাবে ঘর নির্মাণ, অতিবৃষ্টি এবং মাটির ধারণক্ষমতা কমে যাওয়ায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। একই আশঙ্কা রয়েছে দীঘিনালা, রামগড়, মাটিরাঙ্গা, লক্ষ্মীছড়ি, গুইমারা, মানিকছড়ি ও মহালছড়ি উপজেলার বিভিন্ন এলাকাতেও। জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান বলেন, প্রবল বৃষ্টির কারণে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বিবেচনায় বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক মাইকিং ও প্রচারণা চালানো হচ্ছে। জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা শতাধিক পরিবারকে তালিকাভুক্ত করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চলছে।
৮
স্টাফ রিপোর্টার::টানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট পাহাড়ধস ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকটি বসতঘর ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে পাহাড়ধসের আশঙ্কায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, খাগড়াছড়ি জেলায় প্রায় তিন হাজার পরিবার পাহাড়ধসপ্রবণ এলাকায় বসবাস করছে। এসব পরিবারের সদস্যসংখ্যা প্রায় ৩৫ থেকে ৩৬ হাজার।
শুক্রবার (১০ জুলাই ২০২৬) সকালে সদর উপজেলার মধ্যশালবন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, গত তিন দিনে কয়েকটি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। কোথাও পাহাড়ের মাটি বসতঘরের ওপর এসে পড়েছে, কোথাও সড়কে ধস নেমেছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
প্রশাসনের তালিকাভুক্ত অতি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মধ্যে রয়েছে সদর উপজেলার শালবন, মধ্যশালবন, সবুজবাগ, কুমিল্লাটিলা, ন্যান্সীবাজার ও মোল্লাপাড়া। টানা বৃষ্টি শুরু হলেই এসব এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
মধ্যশালবনের বাসিন্দা মো. নুর আলম বলেন, তার ঘরের পেছনে রান্নাঘরের ওপর পাহাড়ধস হয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে পরিবার নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটছে।
পাহাড়ধসের আশঙ্কায় সদর উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করছে জেলা তথ্য অফিস, ফায়ার সার্ভিস ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, পাহাড় কেটে বসতি নির্মাণ, পাহাড়ের ঢালে অপরিকল্পিতভাবে ঘর নির্মাণ, অতিবৃষ্টি এবং মাটির ধারণক্ষমতা কমে যাওয়ায় পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়েছে। একই আশঙ্কা রয়েছে দীঘিনালা, রামগড়, মাটিরাঙ্গা, লক্ষ্মীছড়ি, গুইমারা, মানিকছড়ি ও মহালছড়ি উপজেলার বিভিন্ন এলাকাতেও।
জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান বলেন, প্রবল বৃষ্টির কারণে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বিবেচনায় বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক মাইকিং ও প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা শতাধিক পরিবারকে তালিকাভুক্ত করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চলছে।