চট্টগ্রাম বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বেগুনী ভূটা চাষে রসু চাকমার সফলতা

  • প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০১:৫৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ৬৯ বার
৬৪

মো: সোহেল রানা,স্টাফ রিপোর্টার:: খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় পার্পল সুইট কন(বেগুনী ভূটা) ও সুইট কন(হলুদ ভূটা) চাষ করে সফল রসু চাকমা। পার্পল সুইট কন(বেগুনী ভূটা) ও সুইট কন(হলুদ ভূটা) কৃষকদের মাঝে হতে পারে একটি অর্থনৈতিক সম্ভবনাময় ফসল।

প্রতি কেজি বিক্রি করা হচ্ছে ১শত থেকে ১শত ২০টাকা। ৪০শত জমিতে ভূটা চাষে ৪০হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা খরচ করে দেড়-দুইশত টন ভূটা উৎপাদন হচ্ছে আর বিক্রি হচ্ছে দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকা।

পুষ্টিবিধের মতে, পার্পল সুইট কন(বেগুনী ভূটা) ও সুইট কন(হলুদ ভূটা) স্বাদে খেতে মিষ্টি ও পুষ্টিগুনে ভরপুর স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। পার্পল সুইট কর্ন বা বেগুনি ভুট্টা সাধারণ ভুট্টার চেয়ে পুষ্টিগুণে অনেক উন্নত। এর গাঢ় বেগুনি রঙের কারণ হলো উচ্চ মাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী।

ভূটা চাষী রসু চাকমা বলেন, পার্পল সুইট কন(বেগুনী ভূটা) বীজ বাংলাদেশে অনেক জয়গায় যোগাযোগ করে বীজ পাই নাই। পরে ইন্ডিয়া থেকে বোন এর মাধ্যমে বীজ সংগ্রহ করি। ১কেজি বীজ ইন্ডিায় টাকা ৮হাজার টাকা,আর খরচসহ ১০/১২হাজার টাকা মত পড়েছে।

বেগুনী ভূটা চাষে খরচ কম লাভ বেশি, ৪০শত জমিতে ৪০-৫০ হাজার টাকা খচর হয়, বিক্রি করা যায় দেড় লক্ষ টাকা মত ৭০-৮০হাজার টাকা লাভ হয়। স্থানীয় বাজারের বেগুনী ভূটার চাহিদা বেশি। স্থানী মানুষেরা সিদ্ধ করে খাওয়ার জন্য কিনে নিয়ে যায়।

দীঘিনালা কৃষি কর্মকর্তা মো: শাতাদাত হোসেন বলেন, রসু চাকমার বেগুনী ভূটা চাষের কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত পর্যবেক্ষন ও পরার্মশ দেয়া হচ্ছে। পাহাড়ে পার্পল সুইট কন(বেগুনী ভূটা) আশানুরূপ ফলন হয়েছে। এতে কৃষক অনেক লাভবান হয়েছে।

পার্পল সুইন কন (বেগুনী ভূটা) উন্নত বিদেশী জাতের ভূটা। মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। সিদ্ধ করে সকালে নাস্তা হিসেবে খাওয়া যায়। ভূটা চাষে সরকারি প্রনোদনা অব্যহত থাকলে আরো অনেক কৃষক এগিয়ে আসেবে। তিনি আরো বলেন, দীঘিনালা যেহেতু তামাক অধ্যুষিত অঞ্চল তামাক চাষ বিকল্প হিসেবে ভূটা চাষ করলে কৃষকরা লাভবান হবে।

Download Photocard

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Al- Mamun

বেগুনী ভূটা চাষে রসু চাকমার সফলতা

আপডেট : ০১:৫৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
৬৪

মো: সোহেল রানা,স্টাফ রিপোর্টার:: খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় পার্পল সুইট কন(বেগুনী ভূটা) ও সুইট কন(হলুদ ভূটা) চাষ করে সফল রসু চাকমা। পার্পল সুইট কন(বেগুনী ভূটা) ও সুইট কন(হলুদ ভূটা) কৃষকদের মাঝে হতে পারে একটি অর্থনৈতিক সম্ভবনাময় ফসল।

প্রতি কেজি বিক্রি করা হচ্ছে ১শত থেকে ১শত ২০টাকা। ৪০শত জমিতে ভূটা চাষে ৪০হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা খরচ করে দেড়-দুইশত টন ভূটা উৎপাদন হচ্ছে আর বিক্রি হচ্ছে দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকা।

পুষ্টিবিধের মতে, পার্পল সুইট কন(বেগুনী ভূটা) ও সুইট কন(হলুদ ভূটা) স্বাদে খেতে মিষ্টি ও পুষ্টিগুনে ভরপুর স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভালো। পার্পল সুইট কর্ন বা বেগুনি ভুট্টা সাধারণ ভুট্টার চেয়ে পুষ্টিগুণে অনেক উন্নত। এর গাঢ় বেগুনি রঙের কারণ হলো উচ্চ মাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী।

ভূটা চাষী রসু চাকমা বলেন, পার্পল সুইট কন(বেগুনী ভূটা) বীজ বাংলাদেশে অনেক জয়গায় যোগাযোগ করে বীজ পাই নাই। পরে ইন্ডিয়া থেকে বোন এর মাধ্যমে বীজ সংগ্রহ করি। ১কেজি বীজ ইন্ডিায় টাকা ৮হাজার টাকা,আর খরচসহ ১০/১২হাজার টাকা মত পড়েছে।

বেগুনী ভূটা চাষে খরচ কম লাভ বেশি, ৪০শত জমিতে ৪০-৫০ হাজার টাকা খচর হয়, বিক্রি করা যায় দেড় লক্ষ টাকা মত ৭০-৮০হাজার টাকা লাভ হয়। স্থানীয় বাজারের বেগুনী ভূটার চাহিদা বেশি। স্থানী মানুষেরা সিদ্ধ করে খাওয়ার জন্য কিনে নিয়ে যায়।

দীঘিনালা কৃষি কর্মকর্তা মো: শাতাদাত হোসেন বলেন, রসু চাকমার বেগুনী ভূটা চাষের কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত পর্যবেক্ষন ও পরার্মশ দেয়া হচ্ছে। পাহাড়ে পার্পল সুইট কন(বেগুনী ভূটা) আশানুরূপ ফলন হয়েছে। এতে কৃষক অনেক লাভবান হয়েছে।

পার্পল সুইন কন (বেগুনী ভূটা) উন্নত বিদেশী জাতের ভূটা। মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। সিদ্ধ করে সকালে নাস্তা হিসেবে খাওয়া যায়। ভূটা চাষে সরকারি প্রনোদনা অব্যহত থাকলে আরো অনেক কৃষক এগিয়ে আসেবে। তিনি আরো বলেন, দীঘিনালা যেহেতু তামাক অধ্যুষিত অঞ্চল তামাক চাষ বিকল্প হিসেবে ভূটা চাষ করলে কৃষকরা লাভবান হবে।

Download Photocard