প্রেস বিজ্ঞপ্তি:: পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমা,মারমা, ত্রিপুরা, মুরুং, বোম, পাংখো, খুমী ও চাক ভিন্ন ভাষাভাষী এই দশটি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতির আবাসভূমি পার্বত্য চট্টগ্রাম। যুগ যুগ ধরে এই দশটি ভিন্ন ভাষাভাষী জাতি নিজস্ব সমাজ সংস্কৃতি, রীতি-নীতি, ধর্ম ও ভাষা নিয়ে বসবাস করে আসতেছে। বিশ্বের প্রতিটি জাতি বড় হোক বা ক্ষুদ্র হোক সব সময় নিজস্ব ধ্যান-ধারনার মাধ্যমে স্বীয় জাতীয় পরিচিতি অক্ষুন্ন রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে আসতেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে দশ ভিন্ন ভাষাভাষী পাহাড়ি জনগনও ইহার ব্যতিক্রম নহে।
পার্বত্য এলাকার শান্তির নিশ্চয়তা দিয়ে ২রা ডিসেম্ভর পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সাথে বাংলাদেশ সরকারের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, পার্বত্য চুক্তির ২৬ (ছাব্বিশ) বছর পর এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। চুক্তি সম্পাদনার পরে তিন মেয়াদে ক্ষমতায় থাকাকালে আওয়ামীলীগ সরকার চুক্তি বাস্তবায়ন করলেন না এবং আদোও করার লক্ষনও নেই।
এই অবস্থায় পাহাড়ি জনগনের চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ঐক্রবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলা ছাড়া বিকল্প কোন রাস্তা নেই। তাই চুক্তির ২৬ বছরপূর্তি উপলক্ষে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য পার্টি পাহাড়ি জনগনকে আহ্বান জানাচ্ছে।
দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, একটি বিশেষ মহল পার্বত্য চট্টগ্রামে শাসক গোষ্ঠীর ইশারায় অপপ্রচার ও বিভ্রান্ত সৃষ্টি করার জন্য সমগ্র পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর একটি বিচ্যুত অংশ পূর্ণ স্বায়ত্ত্বশাসনের ঘোষণা দিয়ে চুক্তি বাস্তবায়নের আন্দোলনকে নস্যাৎ করে দেয়ার জন্য বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে পাহাড়ি জনগনকে সকল ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে রুখে
দাড়ানোর জন্য আহ্বান জানাচ্ছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামে ভ্রাতৃঘাটি সংঘাত ও অস্থিতিশীল তার অন্যতম প্রধান হোতা, শাসকগোষ্ঠীর লেবাসধারী প্রসীত বিকাশ খীসাকে প্রতিহত করুন এবং পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ুন। ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) সভাপতি শ্যামল কান্তি চাকমা প্রেরিত এক বার্তায় এ তথ্য জানান।



অনলাইনের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন