মো: সোহেল রানা,দীঘিনালা:: পার্বত্য অঞ্চলের সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদিত হয় আমন মৌসুমে। আমন ধান চাষাবাদ করা হয় সম্পূর্ন প্রাকৃতিক পানি বৃষ্টির উপর নির্ভর করে। ভাদ্র মাসের প্রথম থেকে শুরু কররে ভাদ্র মাসের মাঝমাঝি এসে চারা রোপন শেষ করা হয়। কার্তিক মাসের শেষে থেকে শুরু করে অগ্রহয়ন মাসের শেষে ধান কাঁটা ও মাড়াই শেষে হয়।
হটাৎ অসময়ে ঘুর্নিঝড় মিধিলি‘র কারনে আমনের ধানের ব্যাপক ক্ষতি আশঙ্কা করছে আমন ধান চাষিরা। ঘুর্নিঝড় মিধিলি‘র কারনে বাতাসসহ দুইদিন বৃষ্টি হওয়া ধান খেতে পানি জমে যাওয়ার কারনে বেশি ভাগ জমির পাঁকা ধানগাছ নুয়ে পড়েছে। এতে করে অনেক ক্ষতি হবে এমটাই আশঙ্কা করছে কৃষকরা।
কবাখালী ইউনিয়নের চাষি কৃষক মো: মোখলেছ মিয়া বলেন, আমার ধান আড়াই কানি(১একর) ধানের জমি আমন অনেক ভাল হয়েছিল। প্রায় সব ধান পেঁকে গিয়েছে কয়েদিন পর ধান কাঁটব ভাবছি। এর মধ্যে হঠাৎ করে ঘুর্নিঝড় শুরু হল। আমার ধান ক্ষেতে পানি জমার কারনে সব পাঁকা ধান নুয়ে পড়ছে। এতে পাঁকা ধানের অনেক ক্ষতি হবে।
শান্তিপুর এলাকার চাষী স্মৃতি বিজয় চাকমা, রনশোভা চাকমা ও ভারত বিজয় চাকমা বলেন, এবার আমন ধানের ফলন ভাল হয়েছে। ঘূর্নিঝড় মিধিলি‘র কারনে বাতাসে জমির ধান নুয়ে পড়েছে। ধানের ক্ষতি কিছুটা হয়ে, তবে এখন তাড়াতাড়ি কেঁটে ফেলতে হবে।
দীঘিনালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: শাহাদাত হোসেন বলেন, ঘূর্নিঝড় মিধিলি কারনে বাতাসে আমন ধানগাছ নুয়ে পড়েছে। এতে বেশি ক্ষতি হবে না। তবে শিলাসহ বৃষ্টি হলে ব্যাপক ক্ষতি হত। তবে শাক-সবজি বোরো ধানের বীজতলা ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতি নিরুপনের জন্য কৃষি উপ-সহকারি কর্মকর্তারা সরেজমিনে কাজ করছে।



অনলাইনের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন