
জামায়াতের বিজয়ে চাঁদাবাজ-সন্ত্রাস মুক্ত হবে পাহাড় -১০ দলীয় জোটের মতবিনিময়ে জামায়াত প্রার্থী এড. এয়াকুব আলী চৌধুরী।
আল-মামুন:: জামায়াতের বিজয়ে হলে পাহাড় চাঁদাবাজ-সন্ত্রাস মুক্ত হবে মন্তব্য করেছেন ১০ দলীয় ঐক্য সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনিত প্রার্থী এডভোকেট এয়াকুব আলী চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে ইসলামপুরের সকালে দারুল আইতাম সম্মেলন কক্ষে প্রচারণা উপলক্ষে সাংবাদিক ও বিশিষ্টজনদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব বলেন।
মতবিনিময় সভায় জামায়াত প্রার্থী এডভোকেট এয়াকুব আলী চৌধুরী আরো বলেন, মেধার মূল্যায়নসহ পার্বত্যাবাসীর ভাগ্যের পরিবর্তন চায় জামায়াত। স্বাস্থ্য খাতে পিঁছিয়ে থাকা পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির জন্য মেডিকেল কলেজসহ শিক্ষা,শিল্প কারখানাসহ কৃষিখাতে আরো অগ্রগতি জরুরী। সে বিষয়ে নির্বাচিত হলে পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, এই অঞ্চলে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও চাকমা, মারমা ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর বসবাস করে। আমরা জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের অংশগ্রহনমূলক বৈষম্যহীন,চাঁদাবাজমুক্ত সম্প্রীতির দেশ গড়ব। গত ৫৪ বছরে এ আসন থেকে যত এমপি মন্ত্রী হয়েছিলেন তারা জনগণের সামনে উন্নয়ন খাতগুলোর বাজেট তথা আয় ব্যয় উপস্থাপন করেননি।
আগামীতে এ অঞ্চলের জনগণ দশ দলের প্রার্থী হিসেবে আমাকে নির্বাচিত করলে জনগণের সামনে সকলপ্রকার বাজেটের আয় ব্যয় হিসাব পুঙ্খানুপুঙ্খ প্রকাশ করার মধ্যমে একটি জবাবদীহিতামূলক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করব।
এ সময় কর্মসংস্থান,কৃষি,অর্থনীতি সহ জীবনমান উন্নয়নে এলাকার বিদ্যমান সমস্যা সমূহ দূর করে অসীম সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করে পার্বত্য অঞ্চলের নারীরা স্থানীয়ভাবে হস্তশিল্পে ভূমিকা রাখছে। তাদের এ অবদান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রসারিত করে এ অঞ্চলের অর্থনীতির চাকা সচল করা সম্ভব। মেধাবীরা আগামীর ভবিষ্যৎ।
মেধাগুলোকে যথাযথ মূল্যায়নের জন্য আমরা এ অঞ্চলে একটি মেডিকেল কলেজ, শিল্পকারখানা স্থাপন সহ উদ্যোক্তা ও কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদান সর্বোপরি সার্বিক উন্নয়নে প্রধান্য দেব। এঞ্চলের ব্যবসায়ীরা চাদাবাজ, সন্ত্রাসীদের ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত। আমরা ঘুষ, চাদাবাজ ও সন্ত্রাসীমুক্ত দেশ গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সভায় ১০ দলীয় জোটে এর জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির সৈয়দ আব্দুল মোমেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মাও আনোয়ার হোসাইন মিয়াজি, সাধারণ সম্পাদক আকতারুজ্জামান ফারুকী, এনসিপির জেলা আহ্বায়ক মো. নুর আলম এতে অংশ নেন।
এছাড়াও সিনিয়র সহ সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহনেওয়াজ, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি মো. আব্দুস সত্তার, জামায়াতের সদর উপজেলা আমির মো. ইলিয়াস এতে উপস্থিত ছিলেন।