স্টাফ রিপোর্টার:: এ বছর রোকেয়া পদক পাচ্ছেন সাফজয়ী পাহাড়িকন্যা ঋতুপর্ণা চাকমা। ক্রীড়ায় নারী জাগরণ সৃষ্টিতে ভূমিকার জন্য তিনি এবার এই পদকের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী ৯ ডিসেম্বর রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে পদক প্রদান করবে সরকার।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
ঋতুপর্ণা চাকমা রাঙামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার মগাছড়ি গ্রামের মেয়ে। দারিদ্র্য ঋতুকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। বাবা বরজ বাঁশি চাকমা কৃষক ছিলেন, পরে ক্যানসারে মারা যান। পরিবারে তখন নেমে আসে দুঃসহ সংকট।
কিন্তু মেয়েটি থামেনি। রাঙামাটির ছোট গ্রাম মগাছড়ির মাঠে ছোটবেলায় খেলতে গিয়ে পায়ের নখ উঠে গিয়েছিল ঋতুর। বীরসেন চাকমা নামের এক স্কুলশিক্ষকের সহায়তায় এগিয়ে যেতে থাকেন। তৃতীয় শ্রেণির সেই মেয়ে একদিন হয়ে উঠবেন দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলের রত্ন, কে জানত!
এই ঋতুপর্ণা আজ শুধু একজন ফুটবলার নন, বাংলাদেশের মেয়েদের লড়াই-সংগ্রামের এক প্রতীকও। তিনি গোল করেন; কারণ, জীবন তাঁকে শিখিয়েছে, হার মানা চলবে না। ১০ বছর আগে পিতৃহারা মেয়েটি নানা বাধা পেরিয়ে চলতে চলতে শিখেছেন, বাঁ পায়ের একটি নিখুঁত শট দিয়েই ইতিহাস লেখা যায়। ঋতুপর্ণা তা লিখে চলেছেন।